• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

খালেদাকে বিদেশ নিতে ফের আবেদন

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। একাধিকবার আবেদন করেও সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার অনুমতি মেলেনি। এরমধ্যে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যেতে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার।

গত বৃহস্পতিবার এই আবেদন করা হয় বলে সোমবার নিশ্চিত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার বেগম খালেদা জিয়ার ভাই একটি আবেদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর। আবেদনটির বিষয়ে আইনি মতামত চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বিবিসিকে বলেন, ‘মিসেস জিয়ার এখন বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন-চিকিৎসকরা এখন এই একটাই পরামর্শ দিচ্ছেন। সেজন্য আমাদের ভাইবোনদের পক্ষ থেকে আবারও সরকারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এটাই আমাদের আবেদন সরকারের কাছে যে, তাকে (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুমতি ওনারা (সরকার) যেন দেয়।’

শারীরিক নানা অসুস্থতা নিয়ে বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। গত শনিবার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পরিবারের আবেদনে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে বিএনপি প্রধানকে সাময়িক মুক্তি দেয়। মুক্ত থাকার সময়ে দেশে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না শর্তের কথা বলা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি ছিলেন। প্রথমে তাকে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও পরে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

স্বাস্থ্যগত অবস্থার অবনতির কথা উল্লেখ করে তার পরিবারের পক্ষ থেকে এর আগে দুইবার জামিনের আবেদন করা হয়। কিন্তু দুইবারই তা নাকচ হয়ে যায়।

২৫ মাস কারাভোগের পর করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত বছরের ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার দণ্ড শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।

এরপর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত চারবার দণ্ড স্থগিত করে সরকার। সবশেষ গত সেপ্টেম্বরে সেই মেয়াদ শেষে আবার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এদিকে গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেদিন তার বাসভবন ফিরোজায় আরও আটজন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে।

প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরার পর আবারো গত শনিবার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই সিসিইউতে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ